পবিত্র কুরআনুল কারীম

সূরার নাম

সূরা: আয়াত সংখ্যা: ধরণ: মাক্কী পারা: ০১ সিজদাহ: মাক্কী রুকু: ০১
بِسْمِ اللهِ الرَّحْمٰ الرَّحِيْمِ
الم ﴿١﴾

উচ্চারণ: আলিফ-লাম-মীম।

অর্থ: আলিফ-লাম-মীম।

اللَّهُ لَا إِلَٰهَ إِلَّا هُوَ الْحَيُّ الْقَيُّومُ ﴿٢﴾

উচ্চারণ: আল্লাহু লা ইলাহা ইল্লা হুয়াল হাইয়ুল কাইয়ুম।

অর্থ: আল্লাহ ছাড়া কোনো উপাস্য নেই, তিনি চিরঞ্জীব, সবকিছুর ধারক।

نَزَّلَ عَلَيْكَ الْكِتَابَ بِالْحَقِّ مُصَدِّقًا لِّمَا بَيْنَ يَدَيْهِ وَأَنلَ التَّوْرَاةَ وَالْإِنجِيلَ ﴿٣﴾

উচ্চারণ: নায্যালা আলাইকাল কিতাবা বিল হাক্কি মুসাদ্দিকাল লিমা বাইনা ইয়াদাইহি ওয়া আনযালাত তাওরাতা ওয়াল ইনজিল।

অর্থ: তিনি সত্যসহ আপনার প্রতি কিতাব নাযিল করেছেন, যা পূর্ববর্তী কিতাবসমূহের সত্যায়নকারী। আর তিনি নাযিল করেছেন তাওরাত ও ইনজিল।

مِن قَبْلُ هُدًى لِّلنَّ وَأَنلَ الْفُرْقَانَ ۗ إِنَّ الَّذِينَ كَفَرُوا بِآيَاتِ اللَّهِ لَهُمْ عَذَابٌ شَدِيدٌ ۗ وَاللَّهُ عَزِيزٌ ذُو انتِقَامٍ ﴿٤﴾

উচ্চারণ: মিন কাবলু হুদাল লিননাসি ওয়া আনযালা ফুরকান; ইন্নাল্লাযিনা কাফারু বিআয়াতি ল্লাহি লাহুম আযাবুন শাদিদ; ওয়াল্লাহু আযিযুন যুন তিকাম।

অর্থ: মানুষের হেদায়েতের জন্য ইতিপূর্বে এবং তিনি সত্য-মিথ্যার পার্থক্যকারী নাযিল করেছেন। নিশ্চয়ই যারা আল্লাহর আয়াতসমূহকে অস্বীকার করে, তাদের জন্য রয়েছে কঠিন শাস্তি।

إِنَّ اللَّهَ لَا يَخْفَىٰ عَلَيْهِ شَيْءٌ فِي الْأَرْضِ وَلَا فِي السَّمَاءِ ﴿٥﴾

উচ্চারণ: ইন্নাল্লাহা লা ইয়াখফা আলাইহি শাইয়ুন ফিল আরদি ওয়ালা ফিস সামা-ই।

অর্থ: নিশ্চয়ই আল্লাহর কাছে আসমান ও জমিনের কোনো কিছুই গোপন থাকে না।

هُوَ الَّذِي يُصَوِّكُمْ فِي الْأَرْحَامِ كَيْفَ يَشَاءُ ۚ لَا إِلَٰهَ إِلَّا هُالْعَزِيزُ الْحَكِيمُ ﴿٦﴾

উচ্চারণ: হুওয়াল্লাযি ইউসাওয়্যি রুকুম ফিল আরহামি কাইফা ইয়াশা-উ; লা ইলাহা ইল্লা হুয়াল আযিযুল হাকিম।

অর্থ: তিনিই মাতৃগর্ভে তোমাদের আকৃতি গঠন করেন যেভাবে তিনি চান। তিনি ছাড়া আর কোনো উপাস্য নেই, তিনি পরাক্রমশালী, প্রজ্ঞাময়।

هُوَ الَّذِي أَنزَلَ عَلَيْكَ الْكِتَابَ مِنْهُ آيَاتٌ مُّحْكَمَاتٌ هُنَّ أُمُّ الْكিতَابِ وَأُخَرُ مُتَشَابِهَاتٌ ﴿৭﴾

উচ্চারণ: হুওয়াল্লাযি আনযালা আলাইকাল কিতাবা মিনহু আয়াতুম মুহকামাতুন হুন্না উম্মুল কিতাবি...

অর্থ: তিনিই আপনার প্রতি কিতাব নাযিল করেছেন যার কিছু অংশ সুস্পষ্ট, যা কিতাবের মূল ভিত্তি...

رَبَّنَا لَا تُزِغْ قُلُوبَنَا بَعْدَ إِذْ هَدَيْتَنَا وَهَبْ لَنَا مِن لَّدُنكَ رَحْمَةً ۚ إِنَّكَ أَنتَ الْوَهَّابُ ﴿৮﴾

উচ্চারণ: রাব্বানা লা তুযিগ কুলুবানা বা’দা ইয হাদাইতানা ওয়াহাব লানা মিল্লাদুনকা রাহমাহ; ইন্নাকা আনতাল ওয়াহ্হাব।

অর্থ: হে আমাদের পালনকর্তা! আমাদের অন্তরকে সত্যলংঘনে প্রবৃত্ত করবেন না এবং আপনার পক্ষ থেকে রহমত দান করুন।

رَبَّنَا إِنَّكَ جَامِعُ النَّاسِ لِيَوْمٍ لَّا رَيْبَ فِيهِ ۚ إِنَّ اللَّهَ لَا يُخْلِفُ الْمِيعَادَ ﴿৯﴾

উচ্চারণ: রাব্বানা ইন্নাকা জামিউন নাসি লিইয়াওমিল লা রাইবা ফিহি; ইন্নাল্লাহা লা ইউখলিফুল মিআ'দ।

অর্থ: হে আমাদের প্রতিপালক! আপনি নিশ্চয়ই মানুষকে একদিন সমবেত করবেন। নিশ্চয়ই আল্লাহ ওয়াদা খেলাপ করেন না।

إِنَّ الَّذِينَ كَفَرُوا لَن تُغْنِيَ عَنْهُمْ أَمْوَالُهُمْ وَلَا أَوْلَادُهُم مِّنَ اللَّهِ شَيْئًا ۖ وَأُولَٰئِكَ هُمْ وَقُودُ النَّارِ ﴿১০﴾

উচ্চারণ: ইন্নাল্লাযিনা কাফারু লান তুগ নিয়া আনহুম আমওয়ালুহুম ওয়ালা আওলাদুহুম মিনাল্লাহি শাইয়ান...

অর্থ: যারা কুফরী করে, তাদের ধন-সম্পদ ও সন্তান-সন্ততি আল্লাহর আজাব থেকে রক্ষা করতে পারবে না; এরাই আগুনের ইন্ধন।

كَدَأْبِ آلِ فِرْعَوْنَ وَالَّذِينَ مِن قَبْلِهِمْ ۚ كَذَّبُوا بِآيَاتِنَا فَأَخَذَهُمُ اللَّهُ بِذُنُوبِهِمْ ۗ وَاللَّهُ شَدِيدُ الْعِقَابِ ﴿১১﴾

উচ্চারণ: কাদা’বি আলি ফিরআউনা ওয়াল্লাযিনা মিন কাবলিহিম; কাযযাবু বিআয়াতিনা ফাআখাযাহুমুল্লা-হু বিযুনুবিহিম; ওয়াল্লা-হু শাদিদুল ইকাব।

অর্থ: ফেরআউনের অনুসারী এবং তাদের পূর্ববর্তীদের অভ্যাসের মতই তারা আমার আয়াতসমূহকে অস্বীকার করেছে। ফলে তাদের পাপের কারণে আল্লাহ তাদের পাকড়াও করেছেন। আর আল্লাহ শাস্তিদানে অত্যন্ত কঠোর।

قُل لِّلَّذِينَ كَفَرُوا سَتُغْلَبُونَ وَتُحْشَرُونَ إِلَىٰ جَهَنَّمَ ۚ وَبِئْسَ الْمِهَادُ ﴿১২﴾

উচ্চারণ: কুল লিল্লাযিনা কাফারু সাতুগলাবুনা ওয়াতুহশারুনা ইলা জাহান্নামা ওয়াবি’সাল মিহাদ।

অর্থ: কাফেরদের বলে দিন, খুব শীঘ্রই তোমরা পরাভূত হবে এবং তোমাদের জাহান্নামের দিকে তাড়িয়ে নিয়ে যাওয়া হবে; আর সেটি কতই না নিকৃষ্ট আবাসস্থল!

قَدْ كَانَ لَكُمْ آيَةٌ فِي فِئَتَيْنِ الْتَقَتَا ۖ فِئَةٌ تُقَاتِلُ فِي سَبِيلِ اللَّهِ وَأُخْرَىٰ كَافِرَةٌ ﴿১৩﴾

উচ্চারণ: কাদ কানা লাকুম আয়াতুন ফি ফিয়াতাইনিল তাকাতা; ফিয়াতুন তুকাতি লু ফি সাবিলিল্লাহি ওয়া উখরা কাফিরাতুন...

অর্থ: তোমাদের জন্য নিদর্শন ছিল সেই দুটি দলের মধ্যে যারা পরস্পর যুদ্ধ করেছিল। একদল যুদ্ধ করছিল আল্লাহর পথে, আর অন্যদল ছিল কাফের।

زُيِّنَ لِلنَّاسِ حُبُّ الشَّهَوَاتِ مِنَ النِّسَاءِ وَالْبَنِينَ وَالْقَنَاطِيرِ الْمُقَنطَرَةِ مِنَ الذَّهَبِ وَالْفِضَّةِ ﴿১৪﴾

উচ্চারণ: ঝুইয়িনা লিন্নাসি হুব্বুশ শাহওয়াতি মিনান নিসায়ি ওয়াল বানিনা ওয়াল কানাতীরিল মুকানতারাতি মিনায যাহাবি ওয়াল ফিদদাতি...

অর্থ: মানুষের জন্য সুশোভিত করা হয়েছে নারী, সন্তান, রাশিকৃত সোনা-রূপা এবং চিহ্নিত ঘোড়ার মোহ। (সংক্ষেপিত)

قُلْ أَؤُنَبِّئُكُم بِخَيْرٍ مِّن ذَٰلِكُمْ ۚ لِلَّذِينَ اتَّقَوْا عِندَ رَبِّهِمْ جَنَّاتٌ تَجْرِي مِن تَحْتِهَا الْأَنْهَارُ ﴿১৫﴾

উচ্চারণ: কুল আউনাব্বিউকুম বিখাইরিম মিন যালিকুম; লিল্লাযিনাত্তাকাও ইনদা রাব্বিহিম জান্নাতুন তাজরি মিন তাহতিহাল আনহারু...

অর্থ: আপনি বলুন, আমি কি তোমাদেরকে এসবের চাইতেও উত্তম বিষয়ের সংবাদ দেব? যারা পরহেজগার, তাদের জন্য তাদের প্রতিপালকের কাছে জান্নাত রয়েছে, যার পাদদেশে নদী প্রবাহিত।

الَّذِينَ يَقُولُونَ رَبَّنَا إِنَّنَا آمَنَّا فَاغْفِرْ لَنَا ذُنُوبَنَا وَقِنَا عَذَابَ النَّارِ ﴿১৬﴾

উচ্চারণ: আল্লাযিনা ইয়াকুলুনা রাব্বানা ইন্নানা আমান্না ফাগফির লানা যুনুবানা ওয়াকিনা আযাবান নার।

অর্থ: যারা বলে, 'হে আমাদের পালনকর্তা, আমরা ঈমান এনেছি, সুতরাং আমাদের গুনাহসমূহ ক্ষমা করে দিন এবং আমাদের দোজখের আগুন থেকে রক্ষা করুন'।

الصَّابِرِينَ وَالصَّادِقِينَ وَالْقَانِتِينَ وَالْمُنفِقِينَ وَالْمُسْتَغْفِرِينَ بِالْأَسْحَارِ ﴿১৭﴾

উচ্চারণ: আস-সাবিরিনা ওয়াস-সাদিকিনা ওয়াল কানিতিনা ওয়াল মুনফিকিনা ওয়াল মুস্তাগফিরিনা বিল আসহার।

অর্থ: যারা ধৈর্যশীল, সত্যবাদী, অনুগত, দানশীল এবং শেষ রাতে ক্ষমা প্রার্থনাকারী।

شَهِدَ اللَّهُ أَنَّهُ لَا إِلَٰهَ إِلَّا هُوَ وَالْمَلَائِكَةُ وَأُولُو الْعِلْمِ قَائِمًا بِالْقِسْطِ ۚ لَا إِلَٰهَ إِلَّا هُوَ الْعَزِيزُ الْحَكِيمُ ﴿১৮﴾

উচ্চারণ: শাহিদাল্লা-হু আন্নাহু লা ইলাহা ইল্লা হুয়া ওয়াল মালায়িকাতু ওয়া উলুল ইলমি কায়িমাম বিল কিসতি; লা ইলাহা ইল্লা হুয়াল আযিযুল হাকিম।

অর্থ: আল্লাহ সাক্ষ্য দিয়েছেন যে, তিনি ছাড়া কোনো উপাস্য নেই এবং ফেরেশতাগণ ও ন্যায়নিষ্ঠ জ্ঞানীগণও সাক্ষ্য দেয়; তিনি ছাড়া কোনো উপাস্য নেই, তিনি পরাক্রমশালী, প্রজ্ঞাময়।

إِنَّ الدِّينَ عِندَ اللَّهِ الْإِسْلَامُ ۗ وَمَا اخْتَلَفَ الَّذِينَ أُوتُوا الْكِتَابَ إِلَّا مِن بَعْدِ مَا جَاءَهُمُ الْعِلْمُ ﴿১৯﴾

উচ্চারণ: ইন্নাদ দীনা ইনদাল্লাহিল ইসলাম; ওয়ামাখতালাফাল্লাযিনা উতুল কিতাবা ইল্লা মিম বা’দি মা জাআহুমুল ইলমু...

অর্থ: নিঃসন্দেহে আল্লাহর নিকট গ্রহণযোগ্য দ্বীন একমাত্র ইসলাম। আর যাদের কিতাব দেওয়া হয়েছিল, তাদের কাছে জ্ঞান আসার পরেই তারা মতভেদ করেছে।

فَإِنْ حَاجُّوكَ فَقُلْ أَسْلَمْتُ وَجْهِيَ لِلَّهِ وَمَنِ اتَّبَعَنِ ۗ ﴿২০﴾

উচ্চারণ: ফাইন হাজ্জুকা ফাকুল আসলামতু ওয়াজহিয়া লিল্লাহি ওয়ামানিত তাবা’আনি...

অর্থ: যদি তারা আপনার সাথে বিতর্কে লিপ্ত হয়, তবে বলে দিন—আমি এবং আমার অনুসারীগণ আল্লাহর কাছে আত্মসমর্পণ করেছি। (সংক্ষেপিত)

إِنَّ الَّذِينَ يَكْفُرُونَ بِآيَاتِ اللَّهِ وَيَقْتُلُونَ النَّبِيِّينَ بِغَيْرِ حَقٍّ وَيَقْتُلُونَ الَّذِينَ يَأْمُرُونَ بِالْقِسْطِ مِنَ النَّاسِ فَبَشِّرْهُم بِعَذَابٍ أَلِيمٍ ﴿২১﴾

উচ্চারণ: ইন্নাল্লাযিনা ইয়াকফুরুনা বিআয়াতি ল্লাহি ওয়া ইয়াকতুলুনান নাবিয়্যিনা বিগাইরি হাক্কিওঁ ওয়া ইয়াকতুলুনাল্লাযিনা ইয়ামুরুনা বিলকিসতি মিনানাসি ফাবাশশিরহুম বিআযাবিন আলিম।

অর্থ: যারা আল্লাহর আয়াতসমূহকে অস্বীকার করে এবং অন্যায়ভাবে নবীগণকে হত্যা করে আর মানুষের মধ্যে যারা ন্যায়পরায়ণতার নির্দেশ দেয় তাদেরকেও হত্যা করে, আপনি তাদের এক যন্ত্রণাদায়ক শাস্তির সুসংবাদ দিন।

أُولَٰئِكَ الَّذِينَ حَبِطَتْ أَعْمَالُهُمْ فِي الدُّنْيَا وَالْآخِرَةِ وَمَا لَهُم مِّن نَّاصِرِينَ ﴿২২﴾

উচ্চারণ: উলাইকাল্লাযিনা হাবিতাত আমালুহুম ফিদ্দুনইয়া ওয়াল আখিরাতি ওয়ামা লাহুম মিন নাসি রিন।

অর্থ: এরাই তারা, যাদের আমলসমূহ দুনিয়া ও আখেরাতে ব্যর্থ হয়ে গেছে এবং তাদের কোনো সাহায্যকারী নেই।

أَلَمْ تَرَ إِلَى الَّذِينَ أُوتُوا نَصِيبًا مِّنَ الْكِتَابِ يُدْعَوْنَ إِلَىٰ كِتَابِ اللَّهِ لِيَحْكُمَ بَيْنَهُمْ ثُمَّ يَتَوَلَّىٰ فَرِيقٌ مِّنْهُمْ وَهُم مُّعْرِضُونَ ﴿২৩﴾

উচ্চারণ: আলাম তারা ইলাল্লাযিনা উতু নাসিবাম মিনাল কিতাবি ইউদআওনা ইলা কিতাবিল্লাহি লিইয়াহকুমা বাইনাহুম ছুম্মা ইয়াতাওয়াল্লা ফারিকুম মিনহুম ওয়াহুম মু'রিদূন।

অর্থ: আপনি কি তাদের দেখেননি যাদের কিতাবের একটি অংশ দেওয়া হয়েছিল? তাদের আল্লাহর কিতাবের দিকে ডাকা হচ্ছে যাতে তা তাদের মধ্যে মীমাংসা করে দেয়, অথচ তাদের একদল মুখ ফিরিয়ে নেয় এবং তারা তো উপেক্ষা করার অভ্যাস রাখে।

ذَٰلِكَ بِأَنَّهُمْ قَالُوا لَن تَمَسَّنَا النَّارُ إِلَّا أَيَّامًا مَّعْدُودَاتٍ ۖ وَغَرَّهُمْ فِي دِينِهِم مَّا كَانُوا يَفْتَرُونَ ﴿২৪﴾

উচ্চারণ: যালিকা বিআন্নাহুম কালু লান তামাসসানান নারু ইল্লা আইয়্যামাম মা'দুদাত; ওয়া গাররাহুম ফি দিনিহিম মা কানু ইয়াফতারুন।

অর্থ: এটি একারণে যে, তারা বলে, 'আগুন আমাদের কখনোই স্পর্শ করবে না তবে কেবল গুটিকয়েক দিন'। আর তাদের উদ্ভাবিত মিথ্যাগুলো তাদের দ্বীনের ব্যাপারে তাদের বিভ্রান্ত করেছে।

فَكَيْفَ إِذَا جَمَعْنَاهُمْ لِيَوْمٍ لَّا رَيْبَ فِيهِ وَوُفِّيَتْ كُلُّ نَفْسٍ مَّا كَسَبَتْ وَهُمْ لَا يُظْلَمُونَ ﴿২৫﴾

উচ্চারণ: ফাকাইফা ইযা জামা'নাহুম লিইয়াওমিল লা রাইবা ফিহি ওয়া উফফিয়াত কুল্লু নাফসিম মা কাসাবাত ওয়াহুম লা ইউজলামুন।

অর্থ: তবে তখন কেমন হবে যখন আমি তাদের সেই দিনে সমবেত করব যাতে কোনো সন্দেহ নেই এবং প্রত্যেক ব্যক্তি নিজ উপার্জনের পূর্ণ ফল পাবে এবং তাদের প্রতি জুলুম করা হবে না?

قُلِ اللَّهُمَّ مَالِكَ الْمُلْكِ تُؤْتِي الْمُلْكَ مَن تَشَاءُ وَتَنزِعُ الْمُلْكَ مِمَّن تَشَاءُ وَتُعِزُّ مَن تَشَاءُ وَتُذِلُّ مَن تَشَاءُ ۖ بِيَدِكَ الْخَيْرُ ۖ إِنَّكَ عَلَىٰ كُلِّ شَيْءٍ قَدِيرٌ ﴿২৬﴾

উচ্চারণ: কুলিল্লাহুম্মা মালিকাল মুলকি তু’তিল মুলকা মান তাশা-উ ওয়াতানযিউল মুলকা মিম্মান তাশা-উ, ওয়াতু-ইযযু মান তাশা-উ ওয়াতুযিল্লু মান তাশা-উ, বিইয়াদিকাল খাইরু ইন্নাকা আলা কুল্লি শাইয়িন কাদির।

অর্থ: বলুন, 'হে আল্লাহ! হে রাজত্বের মালিক! আপনি যাকে ইচ্ছা রাজত্ব দান করেন এবং যার থেকে ইচ্ছা রাজত্ব ছিনিয়ে নেন এবং যাকে ইচ্ছা সম্মান দান করেন ও যাকে ইচ্ছা লাঞ্ছিত করেন। আপনার হাতেই যাবতীয় কল্যাণ। নিশ্চয়ই আপনি সবকিছুর ওপর সর্বশক্তিমান'।

تُولِجُ اللَّيْلَ فِي النَّهَارِ وَتُولِجُ النَّهَارَ فِي اللَّيْلِ ۖ وَتُخْرِجُ الْحَيَّ مِنَ الْمَيِّتِ وَتُخْرِجُ الْمَيِّتَ مِنَ الْحَيِّ ۖ وَتَرْزُقُ مَن تَشَاءُ بِغَيْرِ حِسَابٍ ﴿২৭﴾

উচ্চারণ: তুলিজুল লাইলা ফিন্নাহারি ওয়া তুলিজুন নাহারা ফিল্ল্লাইলি ওয়া তুখরিজুল হাইয়্যা মিনাল মাইয়্যিতি ওয়া তুখরিজুল মাইয়্যিতা মিনাল হাইয়্যি ওয়া তারযুকু মান তাশা-উ বিগাইরি হিসাব।

অর্থ: আপনি রাতকে দিনের ভেতর প্রবেশ করান এবং দিনকে রাতের ভেতর প্রবেশ করান। আপনি মৃত থেকে জীবিতকে নির্গত করেন এবং জীবিত থেকে মৃতকে নির্গত করেন। আর আপনি যাকে ইচ্ছা অপরিমিত রিজিক দান করেন।

لَّا يَتَّخِذِ الْمُؤْمِنُونَ الْكَافِرِينَ أَوْلِيَاءَ مِن دُونِ الْمُؤْمِنِينَ ۖ وَمَن يَفْعَلْ ذَٰلِكَ فَلَيْسَ مِنَ اللَّهِ فِي شَيْءٍ ﴿২৮﴾

উচ্চারণ: লা ইয়াত্তাখিযিল মু'মিনুনাল কাফিরিনা আউলিয়া-আ মিন দুনিল মু'মিনিন; ওয়ামান ইয়াফআল যালিকা ফালাইসা মিনাল্লাহি ফি শাইয়িন...

অর্থ: মুমিনরা যেন মুমিনদের বাদ দিয়ে কাফেরদের বন্ধু হিসেবে গ্রহণ না করে। আর যে এমনটি করবে, আল্লাহর সাথে তার কোনো সম্পর্ক থাকবে না।

قُلْ إِن تُخْفُوا مَا فِي صُدُورِكُمْ أَوْ تُبْدُوهُ يَعْلَمْهُ اللَّهُ ۗ وَيَعْلَمُ مَا فِي السَّمَاوَاتِ وَمَا فِي الْأَرْضِ ۗ ﴿২৯﴾

উচ্চারণ: কুল ইন তুখফু মা ফি সুদুরিকুম আও তুবদুহু ইয়া'লামহুল্লাহ; ওয়া ইয়া'লামু মা ফিসসামাওয়াতি ওয়ামা ফিল আরদ।

অর্থ: আপনি বলুন, 'তোমাদের অন্তরে যা আছে তা যদি তোমরা গোপন করো কিংবা প্রকাশ করো, আল্লাহ তা অবগত আছেন। আর আসমানসমূহে যা কিছু আছে এবং জমিনে যা কিছু আছে সবই তিনি জানেন'।

يَوْمَ تَجِدُ كُلُّ نَفْسٍ مَّا عَمِلَتْ مِنْ خَيْرٍ مُّحْضَرًا وَمَا عَمِلَتْ مِن سُوءٍ تَوَدُّ لَوْ أَنَّ بَيْنَهَا وَبَيْنَهُ أَمَدًا بَعِيدًا ۗ ﴿৩০﴾

উচ্চারণ: ইয়াওমা তাজিদু কুল্লু নাফসিম মা আমিলাত মিন খাইরিম মুহদারান ওয়ামা আমিলাত মিন সু-ইন তাওয়াদ্দু লাও আন্না বাইনাহা ওয়াবাইনাহু আমাদান বা-ইদা।

অর্থ: সেদিন প্রত্যেক ব্যক্তি যা কিছু ভালো কাজ করেছে এবং যা কিছু মন্দ কাজ করেছে তা উপস্থিত দেখতে পাবে। সে তখন কামনা করবে, যদি তার ও তার মন্দ কর্মের মধ্যে অনেক দূরত্ব থাকত!

قُلْ إِن كُنتُمْ تُحِبُّونَ اللَّهَ فَاتَّبِعُونِي يُحْبِبْكُمُ اللَّهُ وَيَغْفِرْ لَكُمْ ذُنُوبَكُمْ ۗ وَاللَّهُ غَفُورٌ رَّحِيمٌ ﴿৩১﴾

উচ্চারণ: কুল ইন কুনতুম তুহিব্বুনাল্লাহা ফাত্তাবিঊনি ইউহবিবকুমুল্লাহু ওয়া ইয়াগফির লাকুম যুনুবাকুম; ওয়াল্লাহু গাফুরুর রাহিম।

অর্থ: বলুন, ‘যদি তোমরা আল্লাহকে ভালোবাসো, তবে আমার অনুসরণ করো; আল্লাহ তোমাদের ভালোবাসবেন এবং তোমাদের পাপসমূহ ক্ষমা করে দেবেন। আর আল্লাহ অত্যন্ত ক্ষমাশীল, পরম দয়ালু।’

قُلْ أَطِيعُوا اللَّهَ وَالرَّسُولَ ۖ فَإِن تَوَلَّوْا فَإِنَّ اللَّهَ لَا يُحِبُّ الْكَافِرِينَ ﴿৩২﴾

উচ্চারণ: কুল আতিউল্লাহা ওয়ার রাসুলা; ফাউন তাওয়াল্লাও ফাইন্নাল্লাহা লা ইউহিব্বুল কাফিরিন।

অর্থ: বলুন, ‘আল্লাহ ও রাসূলের আনুগত্য করো।’ তারপর যদি তারা মুখ ফিরিয়ে নেয়, তবে জেনে রাখুন—আল্লাহ কাফেরদের ভালোবাসেন না।

إِنَّ اللَّهَ اصْطَفَىٰ آدَمَ وَنُوحًا وَآلَ إِبْرَاهِيمَ وَآلَ عِمْرَانَ عَلَى الْعَالَمِينَ ﴿৩৩﴾

উচ্চারণ: ইন্নাল্লাহাস তাফা আদামা ওয়া নুহান ওয়া আলা ইবরাহিমা ওয়া আলা ইমরাণা আলাল আলামিন।

অর্থ: নিশ্চয়ই আল্লাহ আদম, নূহ, ইব্রাহিমের বংশধর ও ইমরানের বংশধরকে বিশ্বজগতের ওপর মনোনীত করেছেন।

ذُرِّيَّةً بَعْضُهَا مِن بَعْضٍ ۗ وَاللَّهُ سَمِيعٌ عَلِيمٌ ﴿৩৪﴾

উচ্চারণ: যুররিইয়াতাম বা'দুহা মিম বা'দিন; ওয়াল্লাহু সামিউন আলিম।

অর্থ: তারা একে অপরের বংশধর। আর আল্লাহ সর্বশ্রোতা, সর্বজ্ঞ।

إِذْ قَالَتِ امْرَأَتُ عِمْرَانَ رَبِّ إِنِّي نَذَرْتُ لَكَ مَا فِي بَطْنِي مُحَرَّرًا فَتَقَبَّلْ مِنِّي ۖ ﴿৩৫﴾

উচ্চারণ: ইয কালাতিমরাআতু ইমরাণা রাব্বি ইন্নি নাযারতু লাকা মা ফি বাতনি মুহাররারা ফাতাকাব্বাল মিন্নি...

অর্থ: যখন ইমরানের স্ত্রী বলেছিল, ‘হে আমার পালনকর্তা! আমার গর্ভে যা আছে আমি তা আপনার জন্য উৎসর্গ করলাম; সুতরাং আমার পক্ষ থেকে তা কবুল করুন।’

فَلَمَّا وَضَعَتْهَا قَالَتْ رَبِّ إِنِّي وَضَعْتُهَا أُنثَىٰ وَاللَّهُ أَعْلَمُ بِمَا وَضَعَتْ ﴿৩৬﴾

উচ্চারণ: ফালাম্মা ওয়াদায়াতহা কালাত রাব্বি ইন্নি ওয়াদায়াতুহা উনছা ওয়াল্লাহু আ'লামু বিমা ওয়াদায়াত...

অর্থ: তারপর যখন সে সন্তান প্রসব করল, তখন বলল, ‘হে আমার পালনকর্তা! আমি তো কন্যা সন্তান প্রসব করেছি।’ আর সে যা প্রসব করেছে আল্লাহ তা ভালো করেই জানেন।

فَتَقَبَّلَهَا رَبُّهَا بِقَبُولٍ حَسَنٍ وَأَنبَتَهَا نَبَاتًا حَسَنًا وَكَفَّلَهَا زَكَرِيَّا ۖ ﴿৩৭﴾

উচ্চারণ: ফাতাকাব্বালাহা রাব্বুহা বিকাবুলিন হাসানিন ওয়া আমবাতাহা নাবাতান হাসানান ওয়া কাফফালাহা যাকারিয়্যা...

অর্থ: তখন তার পালনকর্তা তাকে উত্তমভাবে গ্রহণ করলেন এবং তাকে সুন্দরভাবে গড়ে তুললেন এবং জাকারিয়াকে তার তত্ত্বাবধায়ক বানিয়ে দিলেন।

هُنَالِكَ دَعَا زَكَرِيَّا رَبَّهُ ۖ قَالَ رَبِّ هَبْ لِي مِن لَّدُنكَ ذُرِّيَّةً طَيِّبَةً ۖ إِنَّكَ سَمِيعُ الدُّعَاءِ ﴿৩৮﴾

উচ্চারণ: হুনালিকা দাআ যাকারিয়্যা রাব্বাহু কালা রাব্বি হাবলি মিল্লাদুনকা যুররিইয়াতান তইয়িবাতান ইন্নাকা সামিউদ দুআ।

অর্থ: সেখানেই জাকারিয়া তার পালনকর্তার কাছে প্রার্থনা করলেন; বললেন, ‘হে আমার পালনকর্তা! আমাকে আপনার পক্ষ থেকে পবিত্র সন্তান দান করুন। নিশ্চয়ই আপনি প্রার্থনা শ্রবণকারী।’

فَنَادَتْهُ الْمَلَائِكَةُ وَهُوَ قَائِمٌ يُصَلِّي فِي الْمِحْرَابِ أَنَّ اللَّهَ يُبَشِّرُكَ بِيَحْيَىٰ ﴿৩৯﴾

উচ্চারণ: ফানাদাতহুল মালাইকাতু ওয়াহুয়া কইমুন ইউসাল্লি ফিল মিহরাবি আন্নাল্লাহা ইউবাশশিরুকা বিইয়াহইয়া...

অর্থ: যখন সে ইবাদতখানায় নামাজে দাঁড়িয়ে ছিল, তখন ফেরেশতারা তাকে ডাক দিয়ে বলল, ‘নিশ্চয়ই আল্লাহ আপনাকে ইয়াহইয়ার সুসংবাদ দিচ্ছেন।’

قَالَ رَبِّ أَنَّىٰ يَكُونُ لِي غُلَامٌ وَقَدْ بَلَغَنِيَ الْكِبَرُ وَامْرَأَتِي عَاقِرٌ ۖ ﴿৪০﴾

উচ্চারণ: কালা রাব্বি আন্না ইয়াকুনু লি গুলামুন ওয়াকাদ বালাগানি আল কিবারু ওয়ামরাআতি আকির...

অর্থ: সে বলল, ‘হে আমার পালনকর্তা! আমার কীভাবে সন্তান হবে? অথচ আমি বার্ধক্যে পৌঁছে গেছি এবং আমার স্ত্রীও বন্ধ্যা।’ তিনি বললেন, ‘এভাবেই আল্লাহ যা ইচ্ছা করেন।’

قَالَ رَبِّ اجْعَل لِّي آيَةً ۖ قَالَ آيَتُكَ أَلَّا تُكَلِّمَ النَّاسَ ثَلَاثَةَ أَيَّامٍ إِلَّا رَمْزًا ۗ ﴿٤١﴾

উচ্চারণ: কালা রাব্বিজআল লি আয়াহ; কালা আয়াতুকা আল্লা তুকাল্লিমান নাসা সালাসাতি আইয়ামিন ইল্লা রামযা...

অর্থ: সে বলল, ‘হে আমার পালনকর্তা! আমার জন্য একটি নিদর্শন নির্ধারণ করে দিন।’ তিনি বললেন, ‘আপনার নিদর্শন হলো এই যে, আপনি তিন দিন পর্যন্ত মানুষের সাথে ইশারা ছাড়া কথা বলবেন না।’

وَإِذْ قَالَتِ الْمَلَائِكَةُ يَا مَرْيَمُ إِنَّ اللَّهَ اصْطَفَاكِ وَطَهَّرَكِ وَاصْطَفَاكِ عَلَىٰ نِسَاءِ الْعَالَمِينَ ﴿٤٢﴾

উচ্চারণ: ওয়া ইয কালাতিল মালাইকাতু ইয়া মারইয়ামু ইন্নাল্লাহাস তাফাকি ওয়া তাহহারাকি ওয়াসতাফাকি আলা নিসাইল আলামিন।

অর্থ: আর যখন ফেরেশতারা বলল, ‘হে মারইয়াম! নিশ্চয়ই আল্লাহ আপনাকে মনোনীত করেছেন, আপনাকে পবিত্র করেছেন এবং বিশ্বের নারীদের ওপর আপনাকে শ্রেষ্ঠত্ব দান করেছেন।’

يَا مَرْيَمُ اقْنُتِي لِرَبِّكِ وَاسْجُدِي وَارْكَعِي مَعَ الرَّاكِعِينَ ﴿٤٣﴾

উচ্চারণ: ইয়া মারইয়ামুক নুতি লিরাব্বিকি ওয়াসজুদি ওয়ারকায়ি মাআর রাকিয়িন।

অর্থ: ‘হে মারইয়াম! আপনার পালনকর্তার অনুগত হোন, সিজদা করুন এবং রুকুকারীদের সাথে রুকু করুন।’

ذَٰلِكَ مِنْ أَنبَاءِ الْغَيْبِ نُوحِيهِ إِلَيْكَ ۚ وَمَا كُنتَ لَدَيْهِمْ إِذْ يُلْقُونَ أَقْلَامَهُمْ أَيُّهُمْ يَكْفُلُ مَرْيَمَ ﴿٤٤﴾

উচ্চারণ: যালিকা মিন আম্বাইল গাইবি নুহীহি ইলাইক; ওয়ামা কুনতা লাদাইহিম ইয ইয়ুলকুনা আকলামাহুম আইয়ুহুম ইয়াকফুলু মারইয়াম...

অর্থ: এগুলো গায়েব বা অদৃশ্যের সংবাদ, যা আমি আপনার প্রতি ওহি হিসেবে পাঠাচ্ছি। আপনি তাদের কাছে ছিলেন না যখন তারা লটারি করার জন্য তাদের কলম নিক্ষেপ করছিল যে, কে মারইয়ামের তত্ত্বাবধায়ক হবে।

إِذْ قَالَتِ الْمَلَائِكَةُ يَا مَرْيَمُ إِنَّ اللَّهَ يُبَشِّرُكِ بِكَلِمَةٍ مِّنْهُ اسْمُهُ الْمَسِيحُ عِيسَى ابْنُ مَرْيَمَ ﴿٤٥﴾

উচ্চারণ: ইয কালাতিল মালাইকাতু ইয়া মারইয়ামু ইন্নাল্লাহা ইউবাশশিরুকি বিকালিমাতিম মিনহুসমুহুল মাসীহু ঈসাবনু মারইয়াম...

অর্থ: যখন ফেরেশতারা বলল, ‘হে মারইয়াম! আল্লাহ আপনাকে তাঁর পক্ষ থেকে একটি কালেমার (সন্তানের) সুসংবাদ দিচ্ছেন, যার নাম হলো মসীহ ঈসা ইবনে মারইয়াম।’

وَيُكَلِّمُ النَّاسَ فِي الْمَهْدِ وَكَهْلًا وَمِنَ الصَّالِحِينَ ﴿٤٦﴾

উচ্চারণ: ওয়া ইউকাল্লিমুন নাসা ফিল মাহদি ওয়া কাহলাও ওয়ামিনাস সালিহীন।

অর্থ: ‘তিনি দোলনায় থাকা অবস্থায় এবং পরিণত বয়সে মানুষের সাথে কথা বলবেন এবং তিনি নেককারদের অন্তর্ভুক্ত হবেন।’

قَالَتْ رَبِّ أَنَّىٰ يَكُونُ لِي وَلَدٌ وَلَمْ يَمْسَسْنِي بَشَرٌ ۖ قَالَ كَذَٰلِكِ اللَّهُ يَخْلُقُ مَا يَشَاءُ ﴿٤٧﴾

উচ্চারণ: কালাত রাব্বি আন্না ইয়াকুনু লি ওয়ালাদুও ওয়ালাম ইয়ামসাসনি বাশার; কালা কাযালিকিল্লাহু ইয়াখলুকু মা ইয়াশা...

অর্থ: মারইয়াম বলল, ‘হে আমার পালনকর্তা! কীভাবে আমার সন্তান হবে, অথচ কোনো পুরুষ আমাকে স্পর্শ করেনি?’ তিনি বললেন, ‘এভাবেই আল্লাহ যা ইচ্ছা সৃষ্টি করেন।’

وَيُعَلِّمُهُ الْكِتَابَ وَالْحِكْمَةَ وَالتَّوْرَاةَ وَالْإِنجِيلَ ﴿٤٨﴾

উচ্চারণ: ওয়া ইউআল্লিমুহুল কিতাবা ওয়াল হিকমাতা ওয়াত্তাওরাতা ওয়াল ইনজিল।

অর্থ: ‘আর তিনি তাঁকে কিতাব, হিকমত (প্রজ্ঞা), তাওরাত ও ইনজিল শিক্ষা দেবেন।’

وَرَسُولًا إِلَىٰ بَنِي إِسْرَائِيلَ أَنِّي قَدْ جِئْتُكُم بِآيَةٍ مِّن رَّبِّكُمْ ۖ أَنِّي أَخْلُقُ لَكُم مِّنَ الطِّينِ كَهَيْئَةِ الطَّيْرِ ﴿٤٩﴾

উচ্চারণ: ওয়া রাসূলাল ইলা বানি ইসরাইলা আন্নি কাদ জীতুকুম বিআয়াতিম মির রাব্বিকুম আন্নি আখলুকু লাকুম মিনাত ত্বীনি কাহাইআতিত ত্বাইরি...

অর্থ: এবং তিনি বনী ইসরাঈলদের জন্য রাসূল হিসেবে আসবেন। তিনি বলবেন—আমি তোমাদের পালনকর্তার পক্ষ থেকে নিদর্শন নিয়ে এসেছি; আমি তোমাদের জন্য মাটি দিয়ে পাখির মতো আকৃতি তৈরি করব এবং তাতে ফুঁ দেব... (সংক্ষেপিত)

وَمُصَدِّقًا لِّمَا بَيْنَ يَدَيَّ مِنَ التَّوْرَاةِ وَلِأُحِلَّ لَكُم بَعْضَ الَّذِي حُرِّمَ عَلَيْكُمْ ﴿٥٠﴾

উচ্চারণ: ওয়া মুসাদ্দিকাল লিমা বাইনা ইয়াদাইয়া মিনাত তাওরাতি ওয়া লিউহিল্লা লাকুম বা'দাল্লাযি হুররিমা আলাইকুম...

অর্থ: ‘আর আমি এসেছি আমার পূর্ববর্তী কিতাব তাওরাতের সত্যায়নকারী হিসেবে এবং তোমাদের জন্য কিছু বিষয় হালাল করতে যা তোমাদের ওপর হারাম করা হয়েছিল।’

إِنَّ اللَّهَ رَبِّي وَرَبُّكُمْ فَاعْبُدُوهُ ۗ هَٰذَا صِرَاطٌ مُّسْتَقِيمٌ ﴿٥١﴾

উচ্চারণ: ইন্নাল্লাহা রাব্বি ওয়া রাব্বুকুম ফাবুদুহু; হাযা সিরাতাম মুস্তাকিম।

অর্থ: নিশ্চয়ই আল্লাহ আমার পালনকর্তা এবং তোমাদেরও পালনকর্তা। অতএব, তোমরা তাঁরই ইবাদত করো; এটিই হলো সরল পথ।

فَلَمَّا أَحَسَّ عِيسَىٰ مِنْهُمُ الْكُفْرَ قَالَ مَنْ أَنصَارِي إِلَى اللَّهِ ۖ قَالَ الْحَوَارِيُّونَ نَحْنُ أَنصَارُ اللَّهِ ﴿٥٢﴾

উচ্চারণ: ফালাম্মা আহাসসা ঈসা মিনহুমুল কুফরা কালা মান আনসারি ইলাল্লাহি কালাল হাওয়ারিয়্যুনা নাহনু আনসারুল্লাহ।

অর্থ: অতঃপর যখন ঈসা তাদের মধ্যে কুফরি অনুভব করলেন, তখন বললেন—‘আল্লাহর পথে কে আমার সাহায্যকারী হবে?’ হাওয়ারিগণ (শিষ্যরা) বলল, ‘আমরাই আল্লাহর সাহায্যকারী’।

رَبَّنَا آمَنَّا بِمَا أَنزَلْتَ وَاتَّبَعْنَا الرَّسُولَ فَاكْتُبْنَا مَعَ الشَّاهِدِينَ ﴿٥٣﴾

উচ্চারণ: রাব্বানা আমান্না বিমা আনযালতা ওাত্তাবানাল রাসুলা ফাক্তুবনা মাআশ শাহিদিন।

অর্থ: হে আমাদের পালনকর্তা! আপনি যা নাযিল করেছেন আমরা তাতে ঈমান এনেছি এবং আমরা রাসূলের অনুসরণ করেছি; অতএব আমাদের সাক্ষ্যদাতাদের তালিকায় লিখে নিন।

وَمَكَرُوا وَمَكَرَا اللَّهُ ۖ وَاللَّهُ خَيْرُ الْمَاكِرِينَ ﴿٥٤﴾

উচ্চারণ: ওয়া মাকারু ওয়া মাকারাল্লাহু ওয়াল্লাহু খাইরুল মাকিরিন।

অর্থ: তারা চক্রান্ত করেছিল এবং আল্লাহও কৌশল অবলম্বন করেছিলেন; আর আল্লাহ হলেন শ্রেষ্ঠ কৌশলী।

إِذْ قَالَ اللَّهُ يَا عِيسَىٰ إِنِّي مُتَوَفِّيكَ وَرَافِعُكَ إِلَيَّ وَمُطَهِّرُكَ مِنَ الَّذِينَ كَفَرُوا ﴿٥٥﴾

উচ্চারণ: ইয কালাল্লাহু ইয়া ঈসা ইন্নি মুতাওয়াফফিকা ওয়া রাফিউকা ইলাইয়্যা ওয়া মুতাহহিরুকা মিনাল্লাযিনা কাফারু...

অর্থ: যখন আল্লাহ বললেন—‘হে ঈসা! আমি আপনার সময় পূর্ণ করব এবং আপনাকে আমার কাছে তুলে নেব এবং কাফেরদের (সংস্পর্শ) থেকে আপনাকে পবিত্র করব।’

فَأَمَّا الَّذِينَ كَفَرُوا فَأُعَذِّبُهُمْ عَذَابًا شَدِيدًا فِي الدُّنْيَا وَالْآخِرَةِ وَمَا لَهُم مِّن نَّاصِرِينَ ﴿٥٦﴾

উচ্চারণ: ফাআম্মাল্লাযিনা কাফারু ফাউআযযিবুহুম আযাবান শাদিদান ফিদ্দুনইয়া ওয়াল আখিরাতি ওয়ামা লাহুম মিন নাসি রিন।

অর্থ: অতঃপর যারা কুফরি করেছে, আমি তাদের দুনিয়া ও আখেরাতে কঠোর শাস্তি দেব; এবং তাদের কোনো সাহায্যকারী থাকবে না।

وَأَمَّا الَّذِينَ آمَنُوا وَعَمِلُوا الصَّالِحَاتِ فَيُوَفِّيهِمْ أُجُورَهُمْ ۗ وَاللَّهُ لَا يُحِبُّ الظَّالِمِينَ ﴿٥٧﴾

উচ্চারণ: ওয়া আম্মাল্লাযিনা আমানু ওয়া আমিলুস সালিহাতি ফাইয়ুওয়াফিহিম উজুরাহুম; ওয়াল্লাহু লা ইউহিব্বুজ জালিমিন।

অর্থ: আর যারা ঈমান এনেছে এবং নেক আমল করেছে, তিনি তাদের প্রাপ্য পূর্ণমাত্রায় দান করবেন। আর আল্লাহ জালেমদের ভালোবাসেন না।

ذَٰلِكَ نَتْلُوهُ عَلَيْكَ مِنَ الْآيَاتِ وَالذِّكْرِ الْحَكِيمِ ﴿٥٨﴾

উচ্চারণ: যালিকা নাতলুহু আলাইকা মিনাল আয়াতি ওয়াযযিকরিল হাকিম।

অর্থ: এভাবেই আমি আপনার কাছে পাঠ করি আয়াতসমূহ এবং প্রজ্ঞাপূর্ণ উপদেশমালা।

إِنَّ مَثَلَ عِيسَىٰ عِندَ اللَّهِ كَمَثَلِ آدَمَ ۖ خَلَقَهُ مِن تُرَابٍ ثُمَّ قَالَ لَهُ كُن فَيَكُونُ ﴿٥٩﴾

উচ্চারণ: ইন্না মাছালা ঈসা ইনদাল্লাহি কামাছালি আদাম; খালাকাহু মিন তুরাবিন ছুম্মা কালা লাহু কুন ফাইয়াকুন।

অর্থ: নিশ্চয়ই আল্লাহর কাছে ঈসার উদাহরণ আদমের মতো; তিনি তাকে মাটি দিয়ে সৃষ্টি করেছিলেন, তারপর তাকে বলেছিলেন ‘হও’, ফলে সে হয়ে গেল।

الْحَقُّ مِن رَّبِّكَ فَلَا تَكُن مِّنَ الْمُمْتَرِينَ ﴿٦٠﴾

উচ্চারণ: আল হাক্কু মির রাব্বিকা ফালা তাকুম মিনাল মুমতারিন।

অর্থ: এটিই আপনার পালনকর্তার পক্ষ থেকে ধ্রুব সত্য; অতএব আপনি সংশয়বাদীদের অন্তর্ভুক্ত হবেন না।

فَمَنْ حَاجَّكَ فِيهِ مِن بَعْدِ مَا جاءَكَ مِنَ الْعِلْمِ فَقُلْ تَعَالَوْا نَدْعُ أَبْنَاءَنَا وَأَبْنَاءَكُمْ وَنِسَاءَنَا وَنِسَاءَكُمْ وَأَنفُسَنَا وَأَنفُسَكُمْ ثُمَّ نَبْتَهِلْ فَنَجْعَل لَّعْنَتَ اللَّهِ عَلَى الْكَاذِبِينَ ﴿٦١﴾

উচ্চারণ: ফামান হাজ্জাকা ফীহি মিম বা’দি মা জাআকা মিনাল ইলমি ফাকুল তাআলাও নাদউ আবনাআনা ওয়া আবনাআকুম ওয়া নিসাআনা ওয়া নিসাআকুম ওয়া আনফুসানা ওয়া আনফুসাকুম ছুম্মা নাবতাহিল ফানাজআল লানাতাল্লাহি আলাল কাযিবীন।

অর্থ: অতঃপর আপনার নিকট জ্ঞান আসার পর যে কেউ এ বিষয়ে আপনার সাথে বিতর্ক করবে, আপনি তাকে বলুন—এসো, আমরা ডেকে নিই আমাদের পুত্রদের ও তোমাদের পুত্রদের, আমাদের নারীদের ও তোমাদের নারীদের এবং আমাদের নিজেদের ও তোমাদের নিজেদের, অতঃপর আমরা প্রার্থনা করি এবং মিথ্যুকদের ওপর আল্লাহর লানত বর্ষণ করি।

إِنَّ هَٰذَا لَهُوَ الْقَصَصُ الْحَقُّ ۚ وَمَا مِنْ إِلَٰهٍ إِلَّا اللَّهُ ۚ وَإِنَّ اللَّهَ لَهُوَ الْعَزِيزُ الْحَكِيمُ ﴿٦٢﴾

উচ্চারণ: ইন্না হাযা লাহুওয়াল কাসাসুল হাক্ক; ওয়ামা মিন ইলাহিন ইল্লাল্লাহ; ওয়া ইন্নাল্লাহা লাহুওয়াল আযীযুল হাকীম।

অর্থ: নিশ্চয়ই এটিই হলো সত্য কাহিনী। আল্লাহ ছাড়া আর কোনো উপাস্য নেই; আর আল্লাহ নিশ্চয়ই পরাক্রমশালী, প্রজ্ঞাময়।

فَإِن تَوَلَّوْا فَإِنَّ اللَّهَ عَلِيمٌ بِالْمُفْسِدِينَ ﴿٦٣﴾

উচ্চারণ: ফাউইন তাওয়াল্লাও ফাইন্নাল্লাহা আলীমুম বিল মুফসিদীন।

অর্থ: অতঃপর তারা যদি মুখ ফিরিয়ে নেয়, তবে নিশ্চয়ই আল্লাহ ফাসাদ সৃষ্টিকারীদের সম্পর্কে সম্যক অবগত।

قُلْ يَا أَهْلَ الْكِتَابِ تَعَالَوْا إِلَىٰ كَلِمَةٍ سَوَاءٍ بَيْنَنَا وَبَيْنَكُمْ أَلَّا نَعْبُدَ إِلَّا اللَّهَ وَلَا نُشْرِكَ بِهِ شَيْئًا وَلَا يَتَّخِذَ بَعْضُنَا بَعْضًا أَرْبَابًا مِّن دُونِ اللَّهِ ﴿٦٤﴾

উচ্চারণ: কুল ইয়া আহলাল কিতাবি তাআলাও ইলা কালিমাতিম সাওয়ায়িম বাইনানা ওয়া বাইনাকুম আল্লা নাবুদাল্লাল্লাহু ওয়া লা নুশরিকা বিহী শাইয়ান...

অর্থ: বলুন, ‘হে কিতাবধারীগণ! এসো এমন এক কথায় যা আমাদের ও তোমাদের মধ্যে এক—যেন আমরা আল্লাহ ছাড়া আর কারো ইবাদত না করি এবং তাঁর সাথে কোনো কিছুকে শরিক না করি...’

يَا أَهْلَ الْكِتَابِ لِمَ تُحَاجُّونَ فِي إِبْرَاهِيمَ وَمَا أُنزِلَتِ التَّوْرَاةُ وَالْإِنجِيلُ إِلَّا مِن بَعْدِهِ ۚ أَفَلَا تَعْقِلُونَ ﴿٦٥﴾

উচ্চারণ: ইয়া আহলাল কিতাবি লিমা তুহাজ্জুনা ফী ইব্রাহীমা ওয়ামা উনযিলাতিত তাওরাতু ওয়াল ইনজীলু ইল্লা মিম বা’দিহী আফালা তাকিলুন।

অর্থ: হে কিতাবধারীগণ! ইব্রাহিম সম্পর্কে তোমরা কেন বিতর্ক করো? অথচ তাওরাত ও ইনজিল তো তাঁর পরেই নাযিল হয়েছে। তোমরা কি বুঝো না?

هَا أَنتُمْ هَٰؤُلَاءِ حَاجَجْتُمْ فِيمَا لَكُم بِهِ عِلْمٌ فَلِمَ تُحَاجُّونَ فِيمَا لَيْسَ لَكُم بِهِ عِلْمٌ ﴿٦٦﴾

উচ্চারণ: হা আনতুম হাউলায়ি হাজাজতুম ফীমা লাকুম বিহী ইলমুন ফালিমা তুহাজ্জুনা ফীমা লাইসা লাকুম বিহী ইলম।

অর্থ: শোনো! তোমরা তো তারা, যারা বিতর্ক করেছিলে এমন বিষয়ে যা তোমরা জানতে। তবে কেন এমন বিষয়ে বিতর্ক করছো যা তোমরা জানো না?

مَا كَانَ إِبْرَاهِيمُ يَهُودِيًّا وَلَا نَصْرَانِيًّا وَلَٰكِن كَانَ حَنِيفًا مُّسْلِمًا وَمَا كَانَ مِنَ الْمُشْرِكِينَ ﴿٦٧﴾

উচ্চারণ: মা কানা ইব্রাহীমু ইয়াহুদীয়ান ওয়ালা নাসরানীইয়ান ওয়ালাকিন কানা হানীফাম মুসলিমাল ওয়ামা কানা মিনাল মুশরিকীন।

অর্থ: ইব্রাহিম ইহুদি ছিলেন না এবং খ্রিস্টানও ছিলেন না; বরং তিনি ছিলেন একনিষ্ঠ মুসলিম। আর তিনি মুশরিকদের অন্তর্ভুক্ত ছিলেন না।

إِنَّ أَوْلَى النَّاسِ بِإِبْرَاهِيمَ لَلَّذِينَ اتَّبَعُوهُ وَهَٰذَا النَّبِيُّ وَالَّذِينَ آمَنُوا ۗ وَاللَّهُ وَلِيُّ الْمُؤْمِنِينَ ﴿٦٨﴾

উচ্চারণ: ইন্না আউলানাসি বিইব্রাহীমা লাল্লাযীনাত্তাবাউহু ওয়া হাযান নাবীয়্যু ওয়াল্লাযীনা আমানূ; ওয়াল্লাহু ওয়ালীয়্যুল মু'মিনীন।

অর্থ: মানুষের মধ্যে ইব্রাহিমের নিকটতম তারা যারা তাঁর অনুসরণ করেছিল, আর এই নবী (মুহাম্মদ) এবং যারা ঈমান এনেছে। আর আল্লাহ মুমিনদের বন্ধু।

وَدَّت طَّائِفَةٌ مِّنْ أَهْلِ الْكِتَابِ لَوْ يُضِلُّونَكُمْ وَمَا يُضِلُّونَ إِلَّا أَنفُسَهُمْ وَمَا يَشْعُرُونَ ﴿٦٩﴾

উচ্চারণ: ওয়াদ্দাত ত্বায়িফাতুম মিন আহলাল কিতাবি লাও ইউদিল্লুনাকুম ওয়ামা ইউদিল্লুনা ইল্লা আনফুসাহুম ওয়ামা ইয়াশউরুন।

অর্থ: আহলে কিতাবদের একটি দল কামনা করে যেন তোমাদের পথভ্রষ্ট করতে পারে। কিন্তু তারা নিজেদের ছাড়া আর কাউকেই পথভ্রষ্ট করছে না, অথচ তারা তা উপলব্ধি করতে পারছে না।

يَا أَهْلَ الْكِتَابِ لِمَ تَكْفُرُونَ بِآيَاتِ اللَّهِ وَأَنتُمْ تَشْهَدُونَ ﴿٧٠﴾

উচ্চারণ: ইয়া আহলাল কিতাবি লিমা তাকফুরুনা বিআয়াতি ল্লাহি ওয়া আনতুম তাশহাদুন।

অর্থ: হে কিতাবধারীগণ! কেন তোমরা আল্লাহর আয়াতসমূহকে অস্বীকার করছো, অথচ তোমরা নিজেরাই এর সাক্ষ্য দিচ্ছো?